কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
করোনা মহামারীর প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি পর্যায়ে বোরো ধান, চাল ও গম সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত মূল্যে অনুযায়ী প্রতিকেজি সেদ্ধ চাল ৪০টাকা, আতপ চাল ৩৯টাকা ও বোরো ধান ২৭টাকা দরে সরাসরি প্রান্তিক কৃষক ও মিলারের নিকট থেকে চলছে চাল সংগ্রহ।
বঙ্গবন্ধুর সু-যোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন বাস্তবায়নে কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলা খাদ্য গুদামে কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ অব্যাহত। উপজেলা কৃষি বিভাগ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাছাইকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান, গম সংগ্রহ করাসহ মিলারের নিকট থেকে চাল সংগ্রহ চলছে।
কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে নাগেশ্বরী উপজেলা খাদ্য গুদামের বরাদ্দকৃত ধান ২হাজার ৭০০মেট্রিক টন, চাল ২হাজার ৩৫৮মেট্রিক টন ও গম ২৪৫মেট্রিক টন সংগ্রহ অভিযান বিধি মোতাবেক অব্যাহত রয়েছে।
নাগেশ্বরী উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাছাইকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও গম কেনা হচ্ছে। মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুর আহমেদ মাছুম বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের তালিকা মোতাবেক কৃষক যাচাই-বাছাই করে প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে। মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ অব্যাহত।
এ ব্যাপারে রংপুর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সালাম বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পরিপত্র অনুযায়ী রংপুর বিভাগের খাদ্য গুদামে কৃষকের অ্যাপ ও মাধ্যমে লটারি করে ধান ক্রয় চলছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধান সংগ্রহে খাদ্য বিভাগ ও প্রশাসন কৃষকদের সহযোগিতা করবে। এছাড়া মিলারদের কাছ থেকে চাল ক্রয় চলমান। সবার সহযোগিতা থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

