কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঁঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শ্রী রবীন্দ্র নাথ কর্মকারের বিরুদ্ধে ৯ ইউপি সদস্যদের অনাস্থা প্রস্তাব ও অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদান্তে ৩সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারনে স্থবির হয়ে পরেছে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
অপরদিকে ৯ ইউপি সদস্যের অনাস্থা,দুর্ণীতির বিস্তর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ যোবাইদুর কবিরকে আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদান্ত কমিটি গঠন করেন উপজেলা প্রশাসন।অপর দুই সদস্য হলেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম।
অভিযোগে সুত্রে জানাগেছে , বর্তমান চেয়ারম্যান ৬মাস যাবৎ ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ও বিশেষ সভা আহবান করেন না। তিনি ট্যাক্স, রেট, জন্ম নিবন্ধন ও বিভিন্ন প্রাপ্তির প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কর্তন মামলা রয়েছে।একই ব্যাক্তি চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপকের দায়িত্বে রয়েছেন পাশাপাশি সরকারি কোষাগার হতে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে।তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান না করেই বিদেশ ভ্রমণ করেন।ঈদুল আযহা উপলক্ষে অসহায় দু:স্থ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নামে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের তালিকায় মৃত: ব্যক্তি, ডাবল ব্যাক্তিসহ জাল টিপ দিয়ে চাল আত্মসাৎ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বিদের নামও তালিকায় অন্তভূর্ক্ত করেছেন। এছাড়াও এলজিএসপি, কাবিটা, টিআর প্রকল্পে ওয়ার্ডসভা ও ইউপি সভা ছাড়াই দুর্নীতি করে একই প্রকেল্পে বার বার প্রকল্প নির্ধারণ করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এমন বিস্তর অভিযোগ এনে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান শ্রী রবীন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা ও অপসারণ প্রস্তাব স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নূরে তাসনিম বলেন,৯ ইউপি সদস্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি তদান্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে,তদান্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পরে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

