এনামুল হক সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক: বিজ্ঞান সম্মতভাবে তিস্তা নদীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ভাঙন যাবে যাদুঘরে। তিস্তা মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যত কালক্ষেপন করা হবে জ্যামিতিক হারে ক্ষতির পরিমাণ ততই বাড়বে তিস্তা কনভেনশন অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় ড.তুহিন ওয়াদুদ।
তিনি বলেন, তিস্তা নদী নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে।তিস্তা নদীর জন্ম লগ্ন হতে নদী শাসন প্রকল্প গ্রহণ হয়নি।পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হতে পারে, তাহলে তিস্তা মহা-পরিকল্পনা নিজস্ব অর্থায়নে কেনো নয়? আশীর্বাদের তিস্তা এখন অভিশাপ হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নদীর ভাঙন ঠেকাতে এবং উৎপাদিত ফসল ও কৃষক রক্ষায় বিজ্ঞান সম্মতভাবে তিস্তা নদীর মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।
আসছে জুনে তিস্তা মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরাদ্দ চাই।তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের বৈষম্য দূর হবে “তিস্তা কনভেনশন” অনুষ্ঠানে ৬ দফা দাবি প্রস্তাবকালে এসব কথা বলেন নদী গবেষক ও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড তুহিন ওয়াদুদ।
শনিবার ১৪ মে বিকালে তিস্তা বাঁচাও, ভাঙন ঠেকাও, মানুষ বাঁচাও রংপুর বিভাগের সঙ্গে বৈষম্য দুর করাসহ নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা নদীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ ৬ দফা দাবিতে সাজু সরকার আয়োজিত তিস্তা ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত তিস্তা কনভেনশন অনুষ্ঠানে স্ট্যান্ডিং সদস্য বখতিয়ার হোসাইন শিশিরের সঞ্চালনায় তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, আগামী জুনের বাজেটে তিস্তা নদীর মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নিজস্ব অর্থ বরাদ্দ চাই, নইলে তিস্তা পাড়ের ভাঙনকবলিত মানুষ নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আমরা চীন, রাশিয়া, ভারত বুঝিনা,আমরা দেখতে চাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা পদ্মা সেতুর ন্যায়ে নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে।
তিস্তা কনভেনশন অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কালু শেখ, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা স্বপন, রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুনূর মোঃ আক্তারুজ্জামান, ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস প্রামাণিক প্রমুখ।

