কুড়িগ্রামের রাজীবপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকল শিক্ষক কর্মচারী ও এলাকাবাসি। আজ বৃহষ্পতিবা প্রতিষ্ঠানে এক প্রতিবাদ সভায় অংশ নেন ৪৫জন শিক্ষক কর্মচারী ও এলাকাবাসি। সভায় উপস্থিত সকলেই ঐক্যমত পোষন করে লিখিত এক বিবৃতি প্রদান করে। প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয় প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা জামায়াত শিবিরের ইন্ধনে প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার করছেন।
প্রতিষ্ঠানের সহকারি অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন আকন্দ জানান, উপাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে প্রায় চার লাখ টাকা অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে তার অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে তাকে একাধিবার শো-কজ করা হয়েছে। মূলত আত্মসাৎ করা চার লাখ টাকা যাতে ফেরত দেয়া না লাগে একারনে তিনি উল্টা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কাল্পনিক তথ্যের সংযোজন করে এলাকায় মিথ্যাচার করছেন। সহকারি অধ্যাপক রায়হানুল হক, নুরুল হক ও তারগীব হোসেন বলেন, সরকারি করনের শেষ পর্যায়ে এসে প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে মিথ্যাচার ও অপ্রচার করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমুর্তি নষ্ট করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অধ্যক্ষের সম্মানহানি করনের লক্ষে উপধ্যক্ষ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।
অধ্যক্ষ ইউনুস আলী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার সম্পূর্ন মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদীত। ইউএনও মহোদয় অভিযোগের সতত্যা না পেয়ে ওনাকে (উপাধ্যক্ষ) শিক্ষক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে তিরস্কার করেছেন।’
নিজের বিরুদ্ধে চার লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে উপাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমি যে অভিযোগ গুলো করেছি তার সঠিক তদন্ত করা হয়নি।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবীরুল ইসলাম বলেন অভিযোগ পেয়ে আমি অধ্যক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিনি যে তথ্য প্রমাণ দাখিল করেছেন তাতে মনে হয়েছে ওই অভিযোগ গুলো তোলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।

