মেহেদী হাসান, শরীয়তপুর:
সারাদেশে কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা সদরে দাসেরজঙ্গল বাজারে বসছে জমজমাট কোরবানীর পশুর হাট। এতে গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গোসাইরহাট পৌরসভার প্রশাসক মোঃ আলমগীর হোসেন নীরব ভূমিকা পালন করছেন বলে স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, গোসাইরহাট উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দাসেরজঙ্গল বাজারে লকডাউন উপেক্ষা করে জমজমাট পশুর হাট বসানো হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মোঃ আলমগীর হোসেন এ বিষয়ে কোন কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ না করায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মোঃ আলমগীর হোসেন গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি গোসাইরহাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, দাসেরজঙ্গল বাজারে বসানো কোরবানীর পশুরহাটে শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ অন্যান্য জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা কোরবানীর পশু নিয়ে এ হাটে আসেন। হাটে আগত পশু ক্রেতা বা বিক্রেতাদের অনেকেই স্বাস্থ্য বিধি মানার কোন বালাই ছিল না। ফলে দোকানপাট বন্ধ থাকা বাজার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ লোকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গোসাইরহাট উপজেলার দাসেরজঙ্গল বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বেপারী, আইয়ুব আলী পন্ডিত, ছালাম বেপারী, খোরশেদ আলমসহ অনেকেই বলেন, লকডাউনের কারণে আমরা বাজারের দোকানপাট বন্ধ রেখেছি অথচ লকডাউন উপেক্ষা করে কোরবানীর পশুরহাট বসানো হয় কি করে-এমন প্রশ্ন বাজার ব্যবসায়ীদের।
এ বিষয়ে দাসেরজঙ্গল পশুরহাটের ইজারার সাথে জড়িত মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলাপ আলোচনা করে স্বাস্থ্য বিধির ব্যবস্থা করে কোরবানীর পশুরহাট বসিয়েছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

