নব্যতা ফেরাতে দুধকুমার নদে চলছে ৩২কিলোমিটার খনন

রংপুর

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
বিআইডব্লিউটিএ’র মাধ্যমে নব্যতা ফেরাতে দুধকুমার নদে চলছে ৩২কিলোমিটার খনন কাজ। নাগেশ্বরীর সাপখাওয়া থেকে যাত্রাপুর পর্যন্ত ৩২কিলোমিটার নদী কোয়েস্ট স্পেকট্রা (JV) বাস্তবায়নে কাটার সাকশন ড্রেজার ও এক্সকাভেটর দ্বারা দুধকুমার নদী খনন করায় নাব্যতা ফিরে এসেছে। একইসঙ্গে দুধকুমার নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যার প্রবণতা কমবে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষি জমিতে সেচ কাজে তা সহায়ক হবে।

জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর সাপখাওয়া থেকে যাত্রাপুর পর্যন্ত ৩২কিলোমিটার দুধকুমার নদী খনন কাজ চলছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) মাধ্যমে ২০২০সালের জানুয়ারী মাস থেকে কোয়েস্ট স্পেকট্রা (JV) বাস্তবায়নে কাটার সাকশন ড্রেজার ও এক্সকাভেটর দ্বারা দুধকুমার নদী খনন কাজ চলমান থাকায় নদীর নব্যতা ফিরে পেয়েছে প্রাণ। নদীর চারপাশের ফসলি জমি পাচ্ছে সেচ সুবিধা। নিচু জমি বালু দিয়ে ভরাট করায় সে জমিতে হচ্ছে ফসল উৎপাদন। নদী জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি ফসল ও দেশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত রক্ষা পেয়েছে। নদীবেষ্টিত এলাকার মানুষের মধ্যে বহুমাত্রিক ব্যবহার ও সুবিধার আওতায় এসেছে। দুধকুমার নদী ৩২কিলোমিটার খনন কাজ ২০কোটি ৯লাখ ৭০হাজার টাকা বরাদ্দে চলবে ৩০মে ২০২২সাল পর্যন্ত এ খনন কাজ।

দুধকুমার নদীর তীরবর্তী মিয়াপাড়া, সদ্দারটারী এলাকার গোলদার মুন্সী, জহুরুল হক মেম্বার, আব্দুল খালেক মেম্বার, আব্দুস সালামসহ কালীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল হক, আজিজুল হক, আব্দুল লতিফ জানান, বিআইডব্লিউটিএ মাধ্যমে কোয়েস্ট স্পেকট্রা (JV) বাস্তবায়নে জাহাজ ড্রেজার দিয়ে দুধকুমার নদী খনন করায় নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এসেছে পাশাপাশি বন্যার প্রবণতা কমবে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষি জমিতে সেচ কাজে তা সহায়ক হবে।

কালীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক প্রধান বলেন, বিআইডব্লিউটিএ আওতাধীন কালীগঞ্জ ইউনিয়ন ঘেঁষা দুধকুমার নদী খনন চলছে এতে করে দুধকুমার নদী নব্যতা ফিরে এসেছে। ফসলি জমি পাচ্ছে সেচ সুবিধা।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ মাধ্যমে যে নদী খনন চলছে এতে করে দুধকুমার নদী নব্যতা ফিরেছে। নিচু জমি বালু দিয়ে ভরাট করায় সে জমিতে ফসল উৎপাদন হচ্ছে। নদীর চারপাশের ফসলি জমি পাচ্ছে সেচ সুবিধা।

বিআইডব্লিউটিএ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, কোয়েস্ট স্পেকট্রা (JV) বাস্তবায়নে কাটার সাকশন ড্রেজার ও এক্সকাভেটর দ্বারা দুধকুমার নদী খনন কাজ চলছে। এতে করে নদীর নাব্যতা ফিরে এসেছে। দুধকুমার নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যার প্রবণতা কমবে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষি জমিতে সেচ কাজে তা সহায়ক হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুর আহমেদ মাছুম বলেন, বিআইডব্লিউটিএ দুধকুমার নদী খনন করার ফলে নদীর নব্যতা অনেকটা ফিরে এসেছে। আমরা খোজ খবর রাখছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *